রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বেহাল বিহারীপুর সড়ক, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ বাহুবলে পূর্ব বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৪০ সাতছড়ি বনে গাছ চুরি,সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরু বিভাগীয় পর্যায়ে চুনারুঘাট ডিসিপি হাই স্কুলের খুদে বিজ্ঞানীদের চমক সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ‌্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি DEMON 71 এর আবারো চমক, বিভাগীয় বিজ্ঞান মেলায় প্রথম স্থান অর্জন স্বর্ণপদক জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাচ্ছে বাহুবলের “DEMON 71” টিম অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজবন্দি, চালক সংকটে সচল কর্মকর্তার গাড়ি বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে একটি শাটার বিকল, দেড় মাস গ্যারেজবন্দি বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স

আওয়ামী লীগের জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন কমিটি হবে ভোটের মাধ্যমে

তরফ নিউজ ডেস্ক : নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব। অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় আওয়ামী লীগ তার কাউন্সিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ তার অঙ্গ সহযোগি সংগঠনগুলোর স্থানীয় পর্যায়ের সম্মেলন শুরু করে দিয়েছে। জেলা পর্যায়ের সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামী মাস থেকে। আওয়ামী লীগের এই সম্মেলনগুলোর ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতগুলো সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। তার মধ্যে প্রধান নির্দেশনা হলো তৃনমূলের নেতৃত্বে সমঝোতার মাধ্যমে নয় বা উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়ায় নয়। নির্বাচনের মাধ্যমে করতে হবে।

ইতিমধ্যে আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে যে জেলা পর্যায়ের সম্মেলনগুলো হচ্ছে, প্রত্যেকটা জেলা পর্যায়ের সম্মেলন নির্বাচনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখানে কাউন্সিলরা ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের পছন্দের নেতা নির্বাচন করছে। আওয়ামী লীগ এই গণতান্ত্রিক নীতি সর্বত্র অনুশীলন করার পক্ষপাতি। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন বলে দলটির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছেন।

সাধারণত দেখা যায় যে, জেলা পর্যায়ে বা উপজেলা পর্যায়ের সম্মেলনে স্থানীয় এমপি মন্ত্রী এবং প্রভাবশালী নেতারা প্রভাব বিস্তার করে। তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে জেলা বা উপজেলায় কাউন্সিলের নেতা নির্বাচিত করেন। কিন্তু এবার এই পরিস্থিতি পাল্টাতে চাচ্ছে আওয়ামী লীগ। দেখা যাচ্ছে যে, জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়নের প্রভাবশালী নেতা এমপিরা তাদের পছন্দের ব্যাক্তিদেরকে নেতৃত্বে চাপিয়ে দিচ্ছেন এবং সমঝোতার মাধ্যমে তারা পকেট কমিটি গঠন করছেন। এই পকেট কমিটি স্থানীয় পর্যায়ের যারা পরীক্ষিত নেতাকর্মী তাদের অনেকক্ষেত্রে কোনঠাসা করতে চাচ্ছেন। অনেকক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের স্বাভাবিক কাজকর্ম বিঘ্নিত হচ্ছে। অনেকক্ষেত্রেই ওই প্রভাবশালী মন্ত্রী এমপি এবং নেতার ইচ্ছায় দল পরিচালনা হচ্ছে। এই ইচ্ছার অবসান চায় আওয়ামী লীগ। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর আওয়ামী লীগের মধ্যে এই প্রবণতা অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। সেকারণেই এই বিষয়গুলি তদারকি করছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

জানা গেছে যে, এমপি মন্ত্রীদের চাপিয়ে দেয়া কমিটি নয় বরং তৃণমূল থেকে যারা কাউন্সিলর নির্বাচিত হবেন তাঁরা তাঁদের পছন্দের নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন ভোটের মাধ্যমে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভোট অনুষ্ঠিত হবে এবং ভোট যেন প্রভাবমুক্ত হয় সেটিও নিশ্চিত করতে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন। ইতিমধ্যে অঙ্গসংগঠনগুলোর স্থানীয় পর্যায়ে যে নির্বাচন হচ্ছে সেগুলো ভোটের মাধ্যমে হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে সাময়িকভাবে কিছু উত্তেজনা থাকলেও, মন্ত্রী এমপিরা তাঁদের পছন্দের ব্যাক্তিদের নেতৃত্বে আনতে চাইলেও কাউন্সিলররা তাঁদের বিচার বুদ্ধি প্রয়োগ যেমন করছেন তেমনিভাবে যারা দলের সবচেয়ে ত্যাগী পরীক্ষিত এবং যাদের অবদান দলে সবচেয়ে বেশি তাঁদেরকে পছন্দ করছেন।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করছে যে, এই প্রক্রিয়ায় সারাদেশে যদি নির্বাচনে মাধ্যমে নেতৃত্ব বাছাই করা হয় তাহলে দলের ভেতর সুবিধাবাদী, হাইব্রিড এবং হঠাত ঢুকে পরারা কোণঠাসা হতে বাধ্য হবেন। প্রকৃত আওয়ামী লীগাররাই ক্ষমতাসীন হবেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো, আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলছেন এরফলে যারা দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগ যুবলীগের রাজনীতি করে যারা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসতে চাইছেন তাঁদের প্রবেশগম্যতার পথ উন্মুক্ত হবে। এটাই আওয়ামী লীগকে নতুন রক্তপ্রবাহ দিবে বলে তাঁরা মনে করছেন। এই বিবেচনা থেকেই আওয়ামী লীগ সম্মেলন থেকে নতুনরুপে আত্মপ্রকাশ করবে বলেই আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতারা আশা করছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com